
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. কবির। আদালতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেছেন, আলোচিত মোটরসাইকেলটি তার নয়; এটি কিনেছেন তার বন্ধু মাইনুদ্দিন ইসলাম শুভ। তবে মোটরসাইকেল কেনার সময় তার জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
সোমবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে কবিরকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। মঙ্গলবার তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে তার সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
রিমান্ড শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সরবরাহের মাধ্যমে কবির সরাসরি অপরাধে সহযোগিতা করেছেন। তবে কবিরের দাবি, তিনি একজন উবার চালক ছিলেন এবং মূল অভিযুক্ত ফয়সল করিম মাসুদের নির্দেশেই বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন।
কবির আরও বলেন, ঘটনার প্রায় ১৮–২০ দিন আগে ফয়সল ফোন করে তাকে ওসমান হাদির অফিসে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পরই পুরো ঘটনার সূত্রপাত হয় বলে আদালতে জানান তিনি।
এদিকে এ মামলায় ফয়সল করিম মাসুদের স্ত্রী, শ্যালিকা ও শ্যালকসহ ঘনিষ্ঠ তিনজন ইতোমধ্যে রিমান্ডে রয়েছেন। অপরদিকে মোটরসাইকেলের মালিকানা দাবি করা আব্দুল হান্নানকেও পুলিশ রিমান্ডে নিয়েছে।
ওসমান হাদির ওপর এই হত্যাচেষ্টা দেশের রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তদন্তে একের পর এক তথ্য বেরিয়ে আসায় মামলাটি নতুন মোড়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।